Posts

Showing posts with the label কোরআন

প্রশ্ন (১/৪৪১) : নফল ছিয়াম শুরু করে কোন কারণে ভেঙ্গে ফেললে পরে তার ক্বাযা আদায় করা ওয়াজিব কি?

 উত্তর : নফল ছিয়াম কারণবশত ছেড়ে দিলে তার ক্বাযা আদায় করা ওয়াজিব নয়। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল (ছাঃ)-এর জন্য খানা প্রস্ত্তত করলাম। অতঃপর তিনি এবং তাঁর ছাহাবীগণ আসলেন। যখন খানা পেশ করলাম তখন তাদের মধ্য হ’তে একজন ছাহাবী বললেন, আমি ছায়েম। রাসূল (ছাঃ) বললেন, তোমাদের ভাই পরিশ্রম করে খাবার প্রস্ত্তত করেছে এবং দাওয়াত দিয়েছে। অতএব তুমি ছিয়াম ছেড়ে দাও এবং চাইলে তার স্থানে অন্যদিনে ক্বাযা আদায় করে নিও’ (বায়হাক্বী, ইরওয়াউল গালীল হা/১৯৫২, সনদ হাসান)। একদিন রাসূল (ছাঃ) একটি পাত্র থেকে কিছু পান করে বাকী অংশ উম্মে হানীকে দিলেন। অতঃপর তিনি তা থেকে পান করে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমি তো পান করে ফেললাম, কিন্তু আমি যে ছায়েম ছিলাম! রাসূল (ছাঃ) বললেন, তোমার কোন ক্ষতি নেই, যদি তা নফল ছিয়াম হয় (আবুদাঊদ,মিশকাত হা/২০৭৯; ছহীহুল জামে‘ হা/৩৮৫৪)। হযরত আয়েশা (ছাঃ) বলেন, একদিন নবী করীম (ছাঃ) আমার কাছে আসলেন এবং বললেন, ‘তোমাদের কাছে কি কিছু (খাবার) আছে? আমরা বললাম, ‘না’। তখন তিনি বললেন, তাহ’লে আমি এখন ছিয়াম পালন করছি (নফল ছিয়াম)। পরে আরেকদিন তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছ...

তাফসীর:_ সূরা আল-বাকারা - আয়াত নং ২৮২ বিষয়__ ঋণ আদান-প্রদানের কথা লিখে রাখার উপকারিতা।

তাফসীরে আহসানুল-বায়ান:  সূরা ২. আল-বাকারা - আয়াত নং ২৮২  হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পরস্পর ঋণ দেওয়া-নেওয়া কর, তখন তা লিখে নাও।[1] আর তোমাদের মধ্যে কোন লেখক যেন ন্যায়ভাবে তা লিখে দেয় এবং আল্লাহ যেরূপ শিক্ষা দিয়েছেন --সেইরূপ লিখতে কোন লেখক যেন অস্বীকার না করে। অতএব তার লিখে দেওয়াই উচিত। আর ঋণগ্রহীতা যেন লেখার বিষয় বলে দিয়ে লিখিয়ে নেয়[2] এবং সে যেন স্বীয় প্রতিপালক আল্লাহকে ভয় করে এবং লেখার মধ্যে বিন্দুমাত্র কম-বেশী না করে। অনন্তর ঋণগ্রহীতা যদি নির্বোধ হয় কিংবা দুর্বল হয় অথবা নিজে লেখার বিষয়বস্তু বলে দিতে অক্ষম হয়, তাহলে তার অভিভাবক যেন ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লেখায়। আর তোমাদের মধ্যে দু’জন পুরুষকে (এই আদান-প্রদানের) সাক্ষী কর। যদি দু’জন পুরুষ না পাও, তাহলে সাক্ষীদের মধ্যে যাদেরকে তোমরা পছন্দ কর তাদের মধ্য হতে একজন পুরুষ ও দু’জন মহিলাকে সাক্ষী কর; [3] যাতে মহিলাদ্বয়ের একজন ভুলে গেলে যেন অন্য জন তাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।[4] আর যখন (সাক্ষ্য দিতে) ডাকা হয়, তখন যেন সাক্ষীরা অস্বীকার না করে। (ঋণ) ছোট হোক, বড় হোক, তোমরা মেয়াদসহ লিখতে কোনরূপ অলসতা করো না। এ লেখা আল্লাহর নিকট ন্য...

কোরআনের চ্যালেঞ্জ || সম্পূর্ণ কোরআন:, দশটি সূরা:, বা মাত্র একটি সূরা: রচনা করো ||

Image
কোরআনের চ্যালেঞ্জ :: ১. সম্পূর্ণ কোরআন:  কোরআন আল-কারীমে আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীন প্রিয় নবী (সা) কে প্রথমে এই বলে সকল মানুষকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে বলেছেন যে, পারলে তারা যেন কোরআনের সমমর্যাদার কোন গ্রন্থ বানিয়ে দেখায়ঃ “বলঃ যদি সকল মানুষ ও জিন মিলে কোরআনের অবিকল কিছু বানিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবুও তারা পারবেনা, এমনকি যদি তারা একে অপরকে সাহায্যও করে।” [সূরা আল-ইস্‌রা: ১৭:৮৮] ২. দশটি সূরা: যারা এর সত্যতাকে এরপরও অস্বীকার করে যাচ্ছিল তাদেরকে আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীন নিদেনপক্ষে কোরআনের মত করে দশটি সূরা রচনা করতে বললেনঃ “অথবা তারা কি এটা বলে নাকি যে সে (মুহাম্মাদ) নিজেই এটা রচনা করেছে? (তাদের) বল, ‘যদি তাই হয়, তাহলে তোমরাও এর অনুরূপ (মাত্র) দশটি সূরাহ নিয়ে আসো এবং আল্লাহ্‌ ছাড়া তোমারা আর যাদের উপাসনা কর তাদেরকেও সাহায্য করতে বল, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।” [সূরা হূদ: ১১:১৩] ৩. একটি সূরা: তারা কি বলে সে এটি রচনা করেছে? বলো, তবে তোমরা এর অনুরূপ একটি সুরা রচনা করো এবং আল্লাহ ব্যতীত অপর যাকে পারো সাহায্যের জন্য আহ্বান করো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’ (সুরা ইউনুস : আয়াত-৩৮)।  **************...

বিষয়__ অগ্নিকুণ্ডের অধিপতি যাদুকর, ধর্মযাজক ও যুবকের ঘটনা : কোরআন - হাদীসের ঘটনা

Image
সহীহ মুসলিম  : হাদিস নম্বরঃ ৭৪০১  ৭৪০১-(৭৩/৩০০৫) হাদ্দাব ইবনু খালিদ (রহঃ) ..... সুহায়ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের পূর্ববর্তী যামানায় এক বাদশাহ ছিল। তার ছিল এক যাদুকর। বার্ধক্যে পৌছে সে বাদশাহকে বলল, আমি তো বৃদ্ধ হয়ে পড়েছি, সুতরাং একজন যুবককে আপনি আমার কাছে প্রেরণ করুন, যাকে আমি যাদুবিদ্যা শিক্ষা দিব। অতঃপর যাদুবিদ্যা শিক্ষা দেয়ার জন্য বাদশাহ তার কাছে এক যুবককে প্রেরণ করল। বালকের যাত্রা পথে ছিল এক ধর্মযাজক। যুবক তার কাছে বসল এবং তার কথা শুনল। তার কথা যুবকের পছন্দ হলো। তারপর যুবক যাদুকরের কাছে যাত্রাকালে সর্বদাই ধর্মযাজকের কাছে যেত এবং তার নিকট বসত। তারপর সে যখন যাদুকরের কাছে যেত তখন সে তাকে মারধর করত। ফলে যাদুকরের ব্যাপারে সে ধর্মযাজকের কাছে অভিযোগ করল। তখন ধর্মযাজক বলল, তোমার যদি যাদুকরের ব্যাপারে ভয় হয় তবে বলবে, আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে আসতে দেয়নি। আর যদি তুমি তোমার গৃহকর্তার ব্যাপারে আশঙ্কাবোধ করে তবে বলবে, যাদুকর আমাকে বিলম্বে ছুটি দিয়েছে। এমনিভাবে চলতে থাকাবস্থায় একদিন হঠাৎ সে একটি ভয়ানক হিংস্র প্রা...

শেবার রানী (Bilqis) , হজরত সুলাইমান (আঃ) ও জীনের কাহিনী : কোরআন - হাদীসের ঘটনা

Image
কোরআনে ও হাদিসে শেবার রানীর বর্ণনাঃ  (২০) সুলায়মান পক্ষীদের খোঁজ খবর নিলেন, অতঃপর বললেন, কি হল, হুদহুদকে দেখছি না কেন? নাকি সে অনুপস্থিত? (২১) আমি অবশ্যই তাকে কঠোর শাস্তি দেব কিংবা হত্যা করব অথবা সে উপস্থিত করবে উপযুক্ত কারণ। (২২) কিছুক্ষণ পড়েই হুদহুদ এসে বলল, আপনি যা অবগত নন, আমি তা অবগত হয়েছি। আমি আপনার কাছে সাবা থেকে নিশ্চিত সংবাদ নিয়ে আগমন করেছি। (২৩) আমি এক নারীকে সাবাবাসীদের উপর রাজত্ব করতে দেখেছি। তাকে সবকিছুই দেয়া হয়েছে এবং তার একটা বিরাট সিংহাসন আছে। (২৪) আমি তাকে ও তার সম্প্রদায়কে দেখলাম তারা আল্লাহর পরিবর্তে সূর্যকে সেজদা করছে। শয়তান তাদের দৃষ্টিতে তাদের কার্যাবলী সুশোভিত করে দিয়েছে। অতঃপর তাদেরকে সৎপথ থেকে নিবৃত্ত করেছে। অতএব তারা সৎপথ পায় না। (২৫) তারা আল্লাহকে সেজদা করে না কেন, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের গোপন বস্তু প্রকাশ করেন এবং জানেন যা তোমরা গোপন কর ও যা প্রকাশ কর। (২৬) আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি মহা আরশের মালিক। (২৭) সুলায়মান বললেন, এখন আমি দেখব তুমি সত্য বলছ, না তুমি মিথ্যবাদী। (২৮) তুমি আমার এই পত্র নিয়ে যাও এবং এটা তাদের কাছে অর্...

বিষয়__ কারুনের ঘটনা ----- কোরআন তাফসীর : কোরআন - হাদীসের ঘটনা

Image
মিশরে অবস্থানকালীন সময় কারূন ফেরাউনের রাজ দরবারে পদস্থ কর্মচারী ছিল। তখন সে বিরাট ধন সম্পদের মালিক হয়েছিল। হযরত খাইসামা হতে বর্ণিত আছে, তার এত ধন সম্পদ ছিল যে, তার ধনসম্পদ যে সব গৃহে এবং গুদামে রাখা হত। সব গৃহে ও গুদামে যে সব তালা লাগান হত এ সব তালার চাবি এক্ত্র করলে এত ভারী হত যে, তা ষাটটি খচ্চরের বোঝা হত। চাবিগুলো চামড়ার তৈরি ছিল। প্রতিটি চাবি ছিল এক আঙ্গুল পরিমাণ লম্বা। হযরত মূসা (আঃ) ছিলেন সকল বনী ইসরাইলীর নেতা। আর তাঁর ভ্রাতা হযরত হারূন (আঃ) ছিলেন তাঁর ওযীর সমতুল্য। এতদ্দর্শনে কারূন প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে উঠল। তাঁর দাবী হল হযরত হারূন (আঃ) যেরূপ হযরত মূসা (আঃ)-এর বংশের লোক এবং ভাই সেও তো তাহাঁর বংশের লোক এবং ভাই সুতরাং তাদের ন্যায় ইসরাইলীর একাংশের উপর তারও নেতৃত্বের অধিকার রয়েছে। কারূন তার এহেন লোভাতুর অভিমত সম্পর্কে হযরত মূসা (আঃ)-কে অবহিত করার পর তিনি জবাব দিলেন, এ ব্যাপারে তো আমার কোনই হাত নেই। এটা সম্পূর্ণ আল্লাহ পাকের ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল। তাঁর পক্ষ হতে যা কিছু হচ্ছে আমরা তা মেনে নিয়েছি। এ সব বিষয়ে তিনিই সর্বসের্বা। তিনি যাকে ইচ্ছা নেতৃত্ব দান করেন আবার যাকে...

পৃথিবীর সমস্ত গাছপালাকে যদি কলম বানানো যায় এবং সমস্ত সমুদ্রের পানিকে যদি কালি তৈরী করা যায়, তাহলে কলমসমূহ ক্ষয়প্রাপ্ত হবে এবং সমস্ত কালি নিঃশেষ হয়ে যাবে। কিন্তু আল্লাহর বাণী ও হিকমত ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করে কখনই শেষ হবে না। -- তাফসীর

Image
"বল, ‘আমার রবের কথা লেখার জন্য সমুদ্র যদি কালি হয়ে যায় তবে সমুদ্র নিঃশেষ হয়ে যাবে আমার রবের কথা শেষ হওয়ার আগেই। যদিও এর সাহায্যার্থে অনুরূপ আরো সমুদ্র নিয়ে আসি|" সূরা ১৮. আল-কাহফ _ আয়াত নং ১০৯ :  قُلۡ لَّوۡ کَانَ الۡبَحۡرُ مِدَادًا لِّکَلِمٰتِ رَبِّیۡ لَنَفِدَ الۡبَحۡرُ قَبۡلَ اَنۡ تَنۡفَدَ کَلِمٰتُ رَبِّیۡ وَ لَوۡ جِئۡنَا بِمِثۡلِہٖ مَدَدًا ﴿۱۰۹  তাফসীরে আহসানুল-বায়ান:   كلمات এর অর্থঃ মহান আল্লাহর পরিব্যাপ্ত জ্ঞান, তাঁর হিকমত এবং ঐ সমস্ত দলীল-প্রমাণ যা তাঁর একতত্ত্ববাদকে প্রমাণ করে, যা মানুষের পক্ষে পূর্ণমাত্রায় জ্ঞাত হওয়া সম্ভব নয়। পৃথিবীর সমস্ত গাছপালাকে যদি কলম বানানো যায় এবং সমস্ত সমুদ্র; বরং তার সমপরিমাণ আরো সমুদ্রের পানিকে যদি কালি তৈরী করা যায়, তাহলে কলমসমূহ ক্ষয়প্রাপ্ত হবে এবং সমস্ত কালি নিঃশেষ হয়ে যাবে। কিন্তু আল্লাহর বাণী ও হিকমত ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করে কখনই শেষ হবে না। তাফসীরে জাকারিয়া:  অর্থাৎ যদি সাগরের পানি আল্লাহর কালেমাসমূহ লেখার কালি হয়ে যায়, তবে আল্লাহর কালেমাসমূহ শেষ হওয়ার আগেই সাগরের পানি নিঃশেষ হয়ে যাবে। যদিও এর কালি বাড়ানোর ...

বিষয়__ সুরা কাহফের বিশেষ ৪ ঘটনা :

Image
Bismillahir rahmanir raheem: ১. আসহাবে কাহফের ঘটনা:   কাহফ শব্দের অর্থ হলো গুহা। আর আসহাবে কাহফ মানে হলো গুহার অধিবাসী। গুহাবাসী একদল যুবকদের ঘটনার বর্ণনা রয়েছে এ সুরায়। এ যুবকদের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সুরাটি শুরু করা হয়েছে। এ যুবকরা এমন একটি জনপদে বসবাস করত যার অধিবাসী ও শাসকরা ছিল অবিশ্বাসী ও সীমালংঘনকারী। কাজেই যুবকেরা সেই নষ্ট সমাজের ভয়ে সিদ্ধান্ত নিলেন, ‘এদের সাথে আর বসবাস নয়’। তারা আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও আল্লাহর দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা থেকে উজ্জিবীত হয়ে অত্যাচারী জনপদ থেকে হিজরত করলেন। কুরআনুল কারিমে এ ঘটনা এভাবে শুরু হয়েছে- أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا আপনি কি ধারণা করেন যে, গুহা ও গর্তের অধিবাসীরা আমার নিদর্শনাবলীর মধ্যে বিস্ময়কর ছিল? (সুরা কাহফ : আয়াত ৯) إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ فَقَالُوا ‘যখন যুবকরা পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নেয়; তখন (তারা এভাবে) দোয়া করে- رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا উচ্চারণ : ‘রাব্বানা আতিনা মিল্লাদুংকা রাহমাতাও ওয়া হাইয়্যিলানা ম...

বনী ইসরাইলের গরুর কাহিনী _ The story of cow

Image
সূরা বাকারাহ; আয়াত_৭০-৭৪ পবিত্র কুরআনের তাফসিরবিষয়ক অনুষ্ঠান 'কুরআনের আলো'র আজকের পর্বে সূরা আল-বাকারাহ'র ৭০ থেকে ৭৪ নম্বর আয়াতের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হবে। বনী ইসরাইলীদেরকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহপাক সূরা বাকারাহ'র ৭০ ও ৭১ নম্বর আয়াতে বলেছেন ,   قَالُوا ادْعُ لَنَا رَبَّكَ يُبَيِّنْ لَنَا مَا هِيَ إِنَّ الْبَقَرَ تَشَابَهَ عَلَيْنَا وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ لَمُهْتَدُونَ (70) قَالَ إِنَّهُ يَقُولُ إِنَّهَا بَقَرَةٌ لَا ذَلُولٌ تُثِيرُ الْأَرْضَ وَلَا تَسْقِي الْحَرْثَ مُسَلَّمَةٌ لَا شِيَةَ فِيهَا قَالُوا الْآَنَ جِئْتَ بِالْحَقِّ فَذَبَحُوهَا وَمَا كَادُوا يَفْعَلُونَ (71) "বনী ইসরাইল মূসাকে বলল, গরুটি কি ধরনের হতে হবে তা তোমার প্রতিপালককে আমাদের জন্য স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে বল। আমাদের কাছে গরুতো একই রকম। আর আল্লাহ চাইলে আমরা নিশ্চয়ই সঠিক পথ পাব। মূসা জবাবে বললেন, আল্লাহ বলছেন তা এমন এক গরু যা জমি চাষ ও ক্ষেতে পানি সেচের জন্য ব্যবহার করা হয়নি-সুস্থ ও নিখুঁত।" (২:৭০)  "তারা বলল, এখন তুমি ঠিক কথা বলেছ। এরপর তারা গরুটি জবাই করল, যদিও তারা প্রায় এ কাজ বর্জনে উদ্য...

১. দু' ঈদের দিনে নারীদের ঈদগাহে যাওয়া এবং পুরুষদের থেকে পৃথক থেকে খুতবায় শারীক হওয়ার বৈধতা প্রসঙ্গে

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী) অধ্যায়ঃ ৯। দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العيدين) হাদিস নম্বরঃ ১৯৩৯ ১. দু' ঈদের দিনে নারীদের ঈদগাহে যাওয়া এবং পুরুষদের থেকে পৃথক থেকে খুতবায় শারীক হওয়ার বৈধতা প্রসঙ্গে  ১৯৩৯-(১০/৮৯০) আবূর রাবী' আয যাহরানী (রহঃ) ..... উম্মু আতিয়াহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আমাদেরকে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেশ করেছেন, আমরা যেন পরিণত বয়স্কা মেয়েদেরকে ও পর্দানশীন মেয়ে লোকদেরকে ঈদের সলাতে যাওয়ার জন্য বলি এবং তিনি ঋতুবতী নারীদেরকে আদেশ করেছেন তারা যেন মুসলিমদের সলাতের স্থান থেকে কিছুটা পৃথক থাকে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২৪, ইসলামীক সেন্টার ১৯৩১) Umm 'Atiyya said: He (the Messenger of Allah) commanded us that we should take out unmarried women and purdah-observing ladies for 'Id prayers, and he commanded the menstruating women to remain away from the place of worship of the Muslims.  باب ذِكْرِ إِبَاحَةِ خُرُوجِ النِّسَاءِ فِي الْعِيدَيْنِ إِلَى الْمُصَلَّى وَشُهُودِ الْخُطْبَةِ مُفَارِقَاتٌ لِلرِّجَالِ حَدَّثَنِي أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدّ...

সূরা ১১২. আল-ইখলাস _ sura iklas- tafsir bangla_ Atowar Rahman Salafi 6000741968

Image
www.towar-rahman-salafi.blogspot.com   সূরা ১১২. আল-ইখলাস আয়াত নং ১ قُلۡ ہُوَ اللّٰہُ اَحَدٌ ۚ﴿۱﴾ অনুবাদঃ  বল, তিনিই আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়। -(আল-বায়ান) বল, তিনি আল্লাহ, এক অদ্বিতীয়, -(তাইসিরুল) বলঃ তিনিই আল্লাহ, একক/অদ্বিতীয়। -(মুজিবুর রহমান) তাফসীরে আহসানুল-বায়ান ১। বল, তিনিই আল্লাহ একক (অদ্বিতীয়)। - তাফসীরে জাকারিয়া ১. বলুন(১), তিনি আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়(২), (১) বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে যে, মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আল্লাহ্ তা'আলার বংশপরিচয় জিজ্ঞেস করেছিল, যার জওয়াবে এই সূরা নাযিল হয়। [তিরমিযী: ৩৩৬৪, মুসনাদে আহমাদ: ৫/১৩৪, মুস্তাদরাকে হাকিম: ২/৫৪০] কোন কোন বর্ণনায় এসেছে, মুশরিকরা আরও প্রশ্ন করেছিল- আল্লাহ তা'আলা কিসের তৈরী, স্বর্ণরৌপ্য অথবা অন্য কিছুর? এর জওয়াবে সূরাটি অবতীর্ণ হয়েছে। [আস-সুনানুল কুবরা লিন নাসায়ী: ৬/৩৭০, তাবরানী: মুজামুল আওসাত: ৩/৯৬, মুসনাদে আবি ইয়া'লা: ৬/১৮৩, নং ৩৪৬৮, আদ-দিনাওয়ারী: আল-মুজালাসা ও জাওয়াহিরুল ইলম, ৩/৫২৮, নং ১১৪৫] এখানে ‘বলুন’ শব্দটির মাধ্যমে প্রথমত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ...

সূরা ১. ‏আল-ফাতিহাআয়াত নং ১بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ ﴿۱﴾অনুবাদঃ পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে। ‎ ‎tafsir

সূরা ১. আল-ফাতিহা আয়াত নং ১ بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ ﴿۱﴾ অনুবাদঃ  পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে। -(আল-বায়ান) (আরম্ভ করছি) পরম করুণাময় অসীম দয়াময় আল্লাহর নামে।  -(তাইসিরুল) পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)। -(মুজিবুর রহমান) তাফসীরে আহসানুল-বায়ান (১) অনন্ত করুণাময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে (আরম্ভ করছি)। ‘বিসমিল্লাহ’র পূর্বে ‘আক্বরাউ’ ‘আবদাউ’ অথবা ‘আতলু’ ফে’ল (ক্রিয়া) উহ্য আছে। অর্থাৎ, আল্লাহর নাম নিয়ে পড়ছি অথবা শুরু করছি কিংবা তেলাঅত আরম্ভ করছি। প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ আরম্ভ করার পূর্বে ‘বিসমিল্লাহ’ পড়ার প্রতি তাকীদ করা হয়েছে। সুতরাং নির্দেশ করা হয়েছে যে, খাওয়া, যবেহ করা, ওযু করা এবং সহবাস করার পূর্বে ‘বিসমিল্লাহ’ পড়। অবশ্য ক্বুরআনে করীম তেলাঅত করার সময় ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ পড়ার পূর্বে ‘আউযু বিল্লাহি মিনাশ্শায়ত্বানির রাজীম’ পড়াও অত্যাবশ্যক। মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘‘অতএব যখন তুমি ক্বুরআন পাঠ করবে, তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর।’’ (সূরা নাহল ৯৮ আয়াত)। তাফসীরে জাকারিয়া ১. রহমান, রহীম(১) আল্লাহর নামে।(২) ১. সাধারণত আয়াতের ...