Posts

Showing posts with the label Salat - নামাজ

>> ফজর ছালাতের ওয়াক্ত

গ্রন্থঃ জাল হাদীছের কবলে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ছালাত অধ্যায়ঃ ছালাতের সময়   (১) ফজর ছালাতের ওয়াক্ত  আল্লাহ তা‘আলা মুমিনদেরকে নির্দিষ্ট সময়ে ছালাত আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাসূল (ছাঃ) এবং ছাহাবায়ে কেরাম সর্বদা নির্দিষ্ট সময়ে ছালাত আদায় করতেন। কিন্তু মুসলিম উম্মাহ একই ছালাত বিভিন্ন সময়ে আদায় করে থাকে। একই স্থানে একই ছালাতের আযান পৃথক পৃথক সময়ে হয়। কখনো এক ঘণ্টা আবার কখনো আধা ঘণ্টা আগে-পরে। কোন স্থানে একাধিক মসজিদ থাকলেও আযান ও জামা‘আত এক সঙ্গে হয় না; বরং ভিন্ন ভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। এভাবে মানুষও দলে দলে বিভক্ত হয়েছে। রাসূল (ছাঃ) জামা‘আতে ছালাত আদায় করার যে গুরুত্বারোপ করেছেন, তা একেবারে ভঙ্গ হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে যঈফ ও জাল হাদীছ এবং কুরআন-সুন্নাহর ভুল অর্থ ও অপব্যাখ্যা। উল্লেখ্য যে, অনেক মসজিদে ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বেই আযান দেয়া হয়। এটা অতিরিক্ত পরহেযগারিতা ও বাড়াবাড়ি। উক্ত অভ্যাস বর্জন করতে হবে। (১) ফজর ছালাতের ওয়াক্ত : ছুবহে ছাদিকের পর হতে ফজরের ছালাতের ওয়াক্ত শুরু হয়।[1] সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত থাকে। সমস্যাজনিত কারণে সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত আদায় করা যায়।[...

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ছালাত বনাম প্রচলিত ছালাত **-আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ (পর্ব-২৫)

  **-আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ (পর্ব-২৫) সালাম ফিরানোর পর সাথে সাথে উঠা যাবে না : সালাম ফিরানোর পরপরই তাড়াহুড়া করে উঠে যাওয়া খারাপ অভ্যাস। এ খারাপ অভ্যাসকে ছাহাবীগণ কঠোরভাবে দমন করেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে রাবাহ (রাঃ) নবী করীম (ছাঃ)-এর ছাহাবীগণের একজন হতে বর্ণনা করেন, রাসূল (ছাঃ) আছরের ছালাত আদায় করেন। সালাম ফিরানোর সাথে সাথে একজন লোক দাঁড়িয়ে যান। ওমর (রাঃ) তাকে দেখতে পান এবং ঘাড় ধরে বলেন, বসে যান। নিশ্চয় পূর্বের লোকেরা ধ্বংস হয়েছে একারণে যে, তারা দুই ছালাতের মাঝে বিরতি দিত না। রাসূল (ছাঃ) তখন ওমর (রাঃ)-কে বললেন, ‘তুমি ঠিক করেছো’। [1]  এ হাদীছ প্রমাণ করে, দুই ছালাতের মাঝে বিরতি হতে হবে এবং তাসবীহ, তাহলীল ও যিকিরের মাধ্যমে কিছু সময় অতিবাহিত করতে হবে, তারপর অন্য ছালাত আদায় করতে হবে। সালাম ফিরানোর পর মাথায় হাত রেখে দু‘আ পড়া যাবে না : সালাম ফিরানোর পর মাথায় হাত রেখে দু‘আ পড়ার প্রমাণে কোন ছহীহ হাদীছ নেই। এ আমল পরিহার করতে হবে। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন ছালাত আদায় করতেন, তখন ডান হাত তার মাথায় রাখতেন এবং বলতেন, ‘আল্লাহর নামে শুরু করছি যিনি ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই, যিনি পরম করুণাময়, দয়াল...

Fatwa_The difference between Ibadah (Worship) and Obedience – Imam Ibn Baaz

  Imam Ibn Baaz: In the Name of Allah, the Most Gracious, the Most Merciful An extract from my letter I sent to His Excellency Shaykh  Abu Al-A`la Al-Mawdudy  concerning  the difference between `Ibadah and obedience On 2/4//1392 A.H.,  Abu Al-A`la Al-Mawdudy  sent me a letter no. 1526, dated 2 Safar, 1392 A.H. explaining his case and  Tufayl’s,  his successor in the leadership of Islamic Group. I replied in the same year when I was the President of the Islamic University in  Al-Madinah Al-Munawwarah  and the following is some of my reply: Some brothers from  Milbar  living in the country told me that Your Eminence opine that  `Ibadah is clarified by obedience and that when someone obeys another, he worships him. `Ibadah is also interpreted as enslavement and idolization. Furthermore, Shaykh  `Umar ibn Ahmad Al-Millibary,  owner of Al-Salsabil Magazine, wrote to me concerning this issue asserting what is mentioned...

বিষয়__ জুমআর রাকআত ছুটে গেলে __ গ্রন্থঃ স্বালাতে মুবাশ্‌শির অধ্যায়ঃ জুম'আ

Image
কারো জুমআর এক রাকআত ছুটে গেলে বাকী আর এক রাকআত ইমামের সালাম ফিরার পর উঠে পড়ে নিলে তার জুমুআহ হয়ে যাবে। অনুরুপ কেউ দ্বিতীয় রাকআতের রুকূ পেলেও ঐ রাকআত এবং তার সাথে আর এক রাকআত পড়লে তারও জুমুআহ হয়ে যাবে। কিন্তু যদি কেউ দ্বিতীয় রাকআতের রুকূ থেকে ইমামের মাথা তোলার পর জামাআতে শামিল হয়, তাহলে সে জুমআর নামায পাবে না। এই অবস্থায় তাকে যোহরের ৪ রাকআত আদায়ের নিয়তে জামাআতে শামিল হয়ে ইমামের সালাম ফিরার পর ৪ রাকআত ফরয পড়তে হবে। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ্‌, সঊদী উলামা-কমিটি ১/৪১৮, ৪২১) যেমন জামাআত ছুটে গেলে জুমআও ছুটে যাবে। এ ক্ষেত্রেও একাকী যোহ্‌র পড়তে হবে। কারণ জামাআত ছাড়া জুমুআহ হয় না। মহানবী (সাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি জুমআর এক রাকআত নামায পায়, সে যেন অপর এক রাকআত পড়ে নেয়।” (ইবনে মাজাহ্‌, সুনান,হাকেম, মুস্তাদরাক, ইরওয়াউল গালীল, আলবানী ৬২২, জামে ৫৯৯১নং) মহানবী (সাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি এক রাকআত নামায পায়, সে নামায পেয়ে যায়।” (বুখারী ৫৭৯, মুসলিম, সহীহ ৬০৭, তিরমিযী, সুনান ৫২৪নং) এর বিপরীত অর্থ এই দাঁড়ায় যে, “যে ব্যক্তি এক রাকআত নামায পায় না, সে নামায পায় না।” এ জন্যই ইমাম তিরমিযী উক্ত হাদীসের টীকায় বলেছেন, ‘এ হ...

বিষয়__ যিলহজ্জ মাসের ফযীলত ও আমল

আল্লাহ তা‘আলা কিছু মাস, দিন ও রাতকে ফযীলতপূর্ণ করেছেন। যেমন রামাযান মাসকে অন্য সকল মাসের উপর মহিমান্বিত করেছেন। আরাফাতের দিন ও ঈদের দিনকে অন্য দিনের উপর প্রাধান্য দিয়েছেন। ক্বদরের রাতকে অন্যান্য রাতের চেয়ে মর্যাদামন্ডিত করেছেন। আসন্ন যিলহজ্জ মাস অনুরূপ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক মাস। যে মাসে হজ্জ ও কুরবানী করা হয়ে থাকে। এই মাসের ফযীলত ও আমল সম্পর্কে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বিস্তর আলোচনা এসেছে। আলোচ্য প্রবন্ধে যিলহজ্জ মাসের ফযীলত ও আমল সম্পর্কে নাতিদীর্ঘ আলোচনা পেশ করা হ’ল।- যিলহজ্জ মাসের ফযীলত : উম্মতে মুহাম্মাদীর বয়স ষাট থেকে সত্তর বছর। এত্থেকে অধিক বয়স কম লোকেরই হয়।[1] তাই অল্প সময়ে অধিক নেকী উপার্জনের জন্য মহান আল্লাহ বিভিন্ন মাস ও দিবসকে ফযীলতপূর্ণ করেছেন। অনুরূপ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস হচ্ছে যিলহজ্জ মাস। এ মাসেরও অনেক ফযীলত রয়েছে। ১. এটা হারাম মাস : চারটি হারাম তথা সম্মানিত মাসের মধ্যে অন্যতম হ’ল যিলহজ্জ মাস। মহান আল্লাহ বলেন, إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدّ...